| বিশেষ অর্জন |
তিস্তা নদীর ভাঙ্গন রোধে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে গৃহীত ও বাস্তবায়িত কর্মসূচীগোবর্ধন চরে ৩ কিঃমিঃ বাঁধ নির্মাণজেলা প্রশাসকের উদ্যোগে স্থানীয় জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের জনগণের স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ১১ জুলাই, ২০০৯ তারিখে গোবর্ধন থেকে কালমাটি গ্রাম পর্যন্ত মোট ৩ কিঃ মিঃ মাটির বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধন চরে বসবাসরত প্রায় ১ হাজার পরিবার ও শতাধিক একর জমির ফসল রক্ষার্থে এ বাঁধ নির্মিত হয়েছে।
চর ভোটমারীতে দেড় কিঃ মিঃ পাইলিংসহ বাঁধ নির্মাণকালীগঞ্জ উপজেলার চর ভোটমারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাদ্য গুদাম, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ভাঙ্গন কবলিত শতাধিক পরিবার ও শতাধিক একর ফসলী জমি রক্ষার্থে তিস্তার ভাঙ্গনরোধে গত ১৮ জুলাই, ০৯ তারিখে দেড় কিঃমিঃ পাইলিংসহ বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। সহানীয় জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করে সহানীয়ভাবে বাঁশ ও বালির বস্তা সংগ্রহ করে জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের জনগণের স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভোটমারী খাদ্য গুদাম থেকে চর ভোটমারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত দেড় কিঃমিঃ দীর্ঘ এই পাইলিং ও বাঁধের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
গোকুন্ডা ইউনিয়নে নদী ভাঙ্গনরোধে ২৯ টি স্পার নির্মাণসদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের পাংগাটারী থেকে পুরান তিস্তা পর্যন্ত প্রায় ২ কিঃ মিঃ নদী ভাঙ্গনরোধে ২০ জুলাই, ২০০৯ তারিখে স্বেচ্ছাশ্রমে ২৯ টি বাঁশের স্পার নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করে স্থানীয়ভাবে বাঁশ ও বালির বস্তা সংগ্রহ করে জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের জনসাধারণের স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় উক্ত স্পার নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ শতাধিক পরিবার এবং শতাধিক একর জমির ফসল তিস্তার ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে।
তিস্তার গোবর্ধন চরে স্পার নির্মাণতিস্তা নদীর পশ্চিম তীরে গোবর্ধন চরে বসবাসরত প্রায় তিন শতাধিক পরিবারকে নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা ও ফসলী জমি রক্ষার্থে ৪ জুলাই, ২০০৯ জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে ২টি এনজিও ও স্থানীয় জনসাধারণের সম্পৃক্ততায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ১০ টি বাঁশের স্পার নির্মাণ করা হয়েছে।
দুর্গাপুর ইউনিয়নে পাইলিং এর মাধ্যমে নদী ভাঙ্গন রোধআদিতমারী উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নে নদী ভাঙ্গনরোধে বাঁশের পাইলিং নির্মাণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে স্থানীয়ভাবে বাঁশ ও বস্তা সংগ্রহ করে জনপ্রতিনিধি ও সর্বসতরের জনগণকে সম্পৃক্ত করে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এই পাইলিং এর কাজটি সম্পন্ন করা হয়। এই পাইলিং নির্মাণের ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ শতাধিক বাড়িঘর নদীভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে। নদী ভাঙ্গন কবলিত কালমাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পুনঃনির্মাণসদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের কালমাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী ভাঙ্গনের কবলে পতিত হলে বাঁধের উপরে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়। জেলা প্রশাসকের ব্যক্তিগত উদ্যোগে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্থানীয় একজন রিকশা চালক স্কুল ভবনটি পুনঃস্থাপনের নিমিত্ত ১০ শতাংশ ডোবা জমি দান করেন। উক্ত জমিতে স্থানীয় জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে মাটি ভরাট করে স্কুল ভিটি নির্মাণ করা হয়। উপজেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দকৃত ৩০,০০০/- টাকায় বিদ্যালয় ঘরটি পুনঃস্থাপন করা হয়। খামারজাত সার ও কম্পোস্ট সার উৎপাদনে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলালালমনিরহাট জেলার মাটি বেলে, দো-আশ প্রকৃতির। কোন কোন জায়গায় জৈব পদার্থের পরিমাণ ১-২ শতাংশের মধ্যে। আদর্শ মাটিতে ন্যূনতম শতকরা ৫ ভাগ জৈব পদার্থ থাকা প্রয়োজন যা একমাত্র খামারজাত ও জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমেই পূরণযোগ্য। রাসায়নিক সারের অধিক মূল্য, স্বল্পতা, সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থায় নানাবিধ সমস্যা এবং মাটি, পানি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের উপরে রাসায়নিক সারের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষার জন্য খামারজাত সার ও জৈব সারের ব্যাপক উৎপাদনের জন্য জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, লালমনিরহাট-এর সহযোগিতায় একটি ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হয়। প্রতিটি বাড়ীতে বাড়ী ঘরের ময়লা আবর্জনা, রান্না ঘরের উচ্ছিষ্ট, গোয়াল ঘরের বর্জ্য ও ঝড়ে পড়া লতাপাতা, ডালপালা গর্তজাত করে খামারজাত সার উৎপাদন এবং মাঠের আগাছা জঙ্গল ও কচুরীপানার মাধ্যমে জৈব সার উৎপাদনে প্রতিটি উপজেলায় জনসভা করে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়। আগষ্ট ২০০৯ পর্যন্ত ৭০% পরিবার এ কার্যক্রমের আওতায় এসেছে। বিগত বোরো মৌসুমে এ সার ব্যবহারের কারণে রাসায়নিক সারের ব্যবহার প্রায় ৩০% হ্রাস পেয়েছে। সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধিদলাইলামা ছড়া সমন্বিত খামার প্রকল্পজেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে ৯২ একরে সরকারি জলাশয় দলাইলামার ছড়া ইতিপূর্বে মৎস্য চাষীদের কাছে লিজ দেয়া হতো। নামমাত্র মৎস্য চাষ করে উত্তু চাষীরা তিন বছরের তৃতীয় বছরে (২০০৮ সালে) সর্বোচ্চ পরিবার প্রতি ১৮০০/- টাকা বাৎসরিক আয় করেছে। জানুয়ারী ২০০৯ মাসে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, লালমনিরহাট-এর সহযোগিতায় অনুপ্রাণিত চাষীরা বিলের পাড়ে শীম ও লাউ চাষ শুরু করে। এ থেকে তারা পরিবার প্রতি শুধু লাউ থেকেই ৪,০০০/- থেকে ৪,৭০০/- টাকার উপরে আয় করেছে। ২০০৯ সালে পুনরায় ১১০ জন প্রকৃত মৎস্য চাষীর অনুকূলে ছড়াটি তিন বছর মেয়াদে লিজ দেয়া হয়েছে। সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ, বহুমুখী ও স্বল্পতম ব্যয়ে উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিয়মিত মৎস্য উৎপাদনের পাশাপাশি খাকি কেম্বল হাঁস, পানির উপরে মাঁচা করে লাউ চাষ, পাড়ের ঢালে HYV মিষ্টি কুমড়া, শিম, পাড়ে উন্নতজাতের চায়না -৩ লিচু (কদম লিচু), HYV পেঁপে ও বাউকূল চাষের মাধ্যমে সমন্বিত খামার উৎপাদন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। এর ফলে প্রতিটি পরিবার বাৎসরিক ন্যুনতম ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা আয় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ১১০টি পরিবারের টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ছাড়াও স্থানীয় জনসাধারণকে সমন্বিত খামার ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎপাদনে অনুপ্রাণিত করেছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পভূক্ত চাষীরা অর্থনৈতিক সুফল পেতে শুরু করেছে।
নামুড়ী বিলে সমন্বিত খামার প্রকল্পআদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নে ২২ একর জমিতে নামুড়ী বিল অবস্থিত যা ২১ জন মৎস্য চাষীর অনুকূলে লিজ দেয়া আছে। উক্ত বিলেও দলাইলামার ছড়ার অনুরূপ মাছ চাষের পাশাপাশি হাস, লাউ, কুমড়া ও শীম চাষের মাধ্যমে সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। স্ট্রবেরি চাষলালমনিরহাট জেলাসহ বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের মাটি বেলে দো- আশ প্রকৃতির। জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে গত মৌসুমে (২০০৮ সালে) ১৫ জন চাষীর মাধ্যমে এ জেলায় স্ট্রবেরি চাষের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি pilot প্রকল্প গ্রহণ করা হয় যা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। তাই তামাক উৎপাদনকে নিরুৎসাহিত করা এবং একই জমিতে ৫-৭ গুন অধিক লাভজনক স্ট্রবেরি চাষের জন্য ৫টি উপজেলার কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে আসন্ন মওসুমে (২০০৯-২০১০) জেলার ৫টি উপজেলায় ৫০০ জন চাষীর ৫০০ বিঘা জমিতে স্ট্রবেরি চাষের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যা থেকে প্রায় ৫০ মেঃ টন স্ট্রবেরি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা। উক্ত পরিকল্পনার আওতায় চাষীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান, বিনা মূল্যে প্রতীকী চারা বিতরণ, চাষে কারিগরি সহায়তা প্রদান ও উৎপাদিত স্ট্রবেরি বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প গৃহীত হয়েছে। উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এনজিও ফাউন্ডেশন প্রকল্প ব্যয়ের প্রয়োজনীয় ৯.৩৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে। জেলা প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এনজিও ফাউন্ডেশনের আওতাধীন ৫টি NGO এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, লালমনিরহাট-এর সম্পৃক্ততায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ৮-১২ সেপ্টেম্বর ২০০৯ মোট ৫০০ জন চাষীর প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করা হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট Department এর মাধ্যমে টিস্যু কালচারে প্রয়োজনীয় চারা উৎপাদন ও সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, প্লান বাংলাদেশ ও এনজিও সমূহ প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, কারিগরী সহায়তা ও বাজারজাত করণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ প্রকল্পের সকল কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়ন হলে লালমনিরহাট জেলার মঙ্গা দূরীকরণসহ জাতীয় উৎপাদন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি নব দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশা করা যায়। তিস্তার চরে মিষ্টি কুমড়া উৎপাদনলালমনিরহাট জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ৬০ কিঃ মিঃ দীর্ঘ তিস্তা নদীর উভয় তীরে বালুময় চর বিস্তৃত। যার অধিকাংশ জমি অনাবাদী পড়ে থাকে। বেলে প্রকৃতির মাটির কারণে অন্যান্য অনেক ফসলের জন্য এ মাটি অনুপযোগী হলেও মিষ্টি কুমড়া চাষের জন্য এ মাটি খুবই উপযোগী। গত মৌসুমে ২০ জন চাষীর মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে মিষ্টি কুমড়া চাষ করা হয়েছে। এতে চাষীরা ব্যাপকভাবে লাভবান হয়েছে। আসন্ন মৌসুমে (২০০৯-২০১০) বিস্তীর্ণ চর এলাকায় ব্যাপক মিষ্টি কুমড়া চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, লালমনিরহাট-এর কারিগরী সহায়তায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে চর এলাকায় চাষীদেরকে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং হচ্ছে। জেলা প্রশাসন থেকে বিনামূল্যে চাষীদের মধ্যে HYV মিষ্টি কুমড়ার বীজ বিতরণ করা হয়েছে। চরাঞ্চলে BADC কর্তৃক স্থপিত ১/২ কিউসেক সেচ পাম্পসমূহের আওতাধীন এলাকাসমূহের জমিকে কুমড়া উৎপাদন প্রকল্পের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদান করা হচ্ছে। সমন্বিত বাগান ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমজেলা সদরে অবসিহত কালেক্টরেট কলেজিয়েট স্কুলের প্রায় ৪.৫০ একর জমি প্রতি বছর কৃষকের কাছে লীজ দেয়া হতো যা থেকে বছরে সর্বোচ্চ আয় হতো ৭০,০০০/- টাকা। উক্ত জমি এ বছর লিজ না দিয়ে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে ও প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে ৪০০ উন্নত জাতের লিচু (কদম লিচু), ১৩০০ উন্নত জাতের HYV পেপে এবং HYV মিষ্টি কুমড়া চাষ করা হয়েছে। উক্ত সমন্বিত বাগান ব্যবস্থাপনা (সবজী ও ফল) একদিকে বিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে মজবুত করবে, অন্যদিকে সর্বসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সমন্বিত বাগান ব্যবস্থাপনার একটি মডেল হিসেবে প্রদর্শিত হবে।
নিরক্ষরমুক্ত জেলাজেলা প্রশাসনের নিরলস প্রচেষ্টায় এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহের কঠোর পরিশ্রমের ফলে লালমনিরহাট জেলা দেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
শতভাগ স্যানিটেশনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত দিক দিয়েও লালমনিরহাট দেশের অনেক জেলার চেয়ে এগিয়ে। লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম একটি প্রত্যন্ত উপজেলা হওয়া সত্ত্বেও এটি শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিত করেছে।
স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিপ্রশাসন, পুলিশ বিভাগ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ফলে লালমনিরহাট একটি প্রত্যন্ত সীমান্তবর্তী জেলা হওয়া সত্ত্বেও দেশের অন্যান্য জেলার চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম গোলযোগপূর্ণ ও কম অপরাধপ্রবণ জেলা হিসেবে পরিচিত। |